সাব ইন্সিপেক্টর মহসিন রেজা : একজন কর্মবীর মানুষ
সাব ইন্সিপেক্টর মহসিন রেজা : একজন কর্মবীর মানুষ
------------------------------------------------------
লোকমান আনছারী রাউজান প্রতিনিধিঃ
মেধা, শ্রম, সততার অনন্য আধার তিনি। প্রচন্ড রকমের সরল ও উদার মনের মানুষ। কর্মক্ষেত্রে নেহায়েতই দায়িত্বশীল। পদ-পদবী যা-ই আছে, সেদিকে ভাবনা নেই তার। আমার দায়িত্ব, আমার উপাসনা-এমন মনোভাবই তার বড় গুণ। মানুষের আপদ-বিপদে সহযোগিতাই তার বড়ো খেয়াল। পেশায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা হলেও তার চলনে কথাবার্তায় সাধারণ মানুষের মত। সে কে, সেটা কোন বিষয় নয় তার কাছে। জাতির দুর্যোগে ঝাপিয়ে পড়াই তার নেশা। চলমান করোনা ভাইরাস দুর্যোগেও বসে নেই তিনি। তার অবস্থান ও সাধ্যের মধ্যে থেকে মানুষের সেবায় নিজেকে সপে দিয়েছেন তিনি।
হ্যাঁ, বলছিলাম রাউজান উপজেলায় কর্মরত সাব ইন্সপেক্টর মহসিন রেজার কথা। তিনি দীর্ঘ নয় বছর যাবত রাউজান থানায় কর্মরত আছেন। তার বাড়ি কুমিল্লা পারিবারিক জীবনে তিনি স্ত্রী,ও তিন ছেলের অধিকারী।
দীর্ঘ ২১ বছর ধরে তিনি বাংলাদেশ পুলিশে চাকরি করছেন। বর্তমানে রাউজান নোয়াপাড়া পুলিশ পাড়ির দায়িত্বে আছেন। মহান এই মানুষটি সবসময়ই তার পেশার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। পেশাটিকে তিনি গ্রহণ করেছেন সেবা হিসেবে। সম্প্রতি তিনি গত ১৩ এপ্রিল হারিয়েছেন তার আপন শ্বাশুর কে। কিন্তু করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার কর্তৃক তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও পেশার খাতিরে তিনি সেই মরা মুখটিও দেখতে পাননি। তবু্ও দুঃখ নেই তার। এই ভেবে যে, তিনি তো মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস মহামারি থেকে অনেক প্রাণ রক্ষার গুরুদায়িত্ব পালন করছেন।
------------------------------------------------------
লোকমান আনছারী রাউজান প্রতিনিধিঃ
মেধা, শ্রম, সততার অনন্য আধার তিনি। প্রচন্ড রকমের সরল ও উদার মনের মানুষ। কর্মক্ষেত্রে নেহায়েতই দায়িত্বশীল। পদ-পদবী যা-ই আছে, সেদিকে ভাবনা নেই তার। আমার দায়িত্ব, আমার উপাসনা-এমন মনোভাবই তার বড় গুণ। মানুষের আপদ-বিপদে সহযোগিতাই তার বড়ো খেয়াল। পেশায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা হলেও তার চলনে কথাবার্তায় সাধারণ মানুষের মত। সে কে, সেটা কোন বিষয় নয় তার কাছে। জাতির দুর্যোগে ঝাপিয়ে পড়াই তার নেশা। চলমান করোনা ভাইরাস দুর্যোগেও বসে নেই তিনি। তার অবস্থান ও সাধ্যের মধ্যে থেকে মানুষের সেবায় নিজেকে সপে দিয়েছেন তিনি।
হ্যাঁ, বলছিলাম রাউজান উপজেলায় কর্মরত সাব ইন্সপেক্টর মহসিন রেজার কথা। তিনি দীর্ঘ নয় বছর যাবত রাউজান থানায় কর্মরত আছেন। তার বাড়ি কুমিল্লা পারিবারিক জীবনে তিনি স্ত্রী,ও তিন ছেলের অধিকারী।
দীর্ঘ ২১ বছর ধরে তিনি বাংলাদেশ পুলিশে চাকরি করছেন। বর্তমানে রাউজান নোয়াপাড়া পুলিশ পাড়ির দায়িত্বে আছেন। মহান এই মানুষটি সবসময়ই তার পেশার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। পেশাটিকে তিনি গ্রহণ করেছেন সেবা হিসেবে। সম্প্রতি তিনি গত ১৩ এপ্রিল হারিয়েছেন তার আপন শ্বাশুর কে। কিন্তু করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার কর্তৃক তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও পেশার খাতিরে তিনি সেই মরা মুখটিও দেখতে পাননি। তবু্ও দুঃখ নেই তার। এই ভেবে যে, তিনি তো মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস মহামারি থেকে অনেক প্রাণ রক্ষার গুরুদায়িত্ব পালন করছেন।

No comments