আইন অমান্য করে রাতের আঁধারে চট্টগ্রামের অলিতে-গলিতে উশৃংখল যুবকদের আড্ডা
দেশের বুকে এমন মারাত্মক মহামারি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এতো অনুরোধ, প্রশাসনের এতো সর্তক বানী, তারপরও কমছে না চট্টগ্রাম শহরের অলিতে-গলিতে আড্ডা আর গল্পবাজী। সন্ধ্যার পর সবকিছু বন্ধ থাকলেও, বন্ধ থাকেনা অলিতে-গলিতে উশৃংখল ছেলেদের আড্ডা। চট্টগ্রামের রাহাত্তারপুল থেকে চকবাজারের ধুনির পুল পর্যন্ত জটলা হয়ে কিছু ছেলে অযথায় ঘুরাঘুরি করে। হয়তো এভাবে ঘুরাঘুরির কোনো উদ্দেশ্যও থাকতে পারে।
যেহেতু রাস্তাঘাট এখন প্রায় অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। তবে বিশেষ করে ওমর আলী মাতব্বর রোডের বিভিন্ন অংশ (বহদ্দার পুকুর পাড় থেকে আতুরার দোকান মোড় পর্যন্ত), সৈয়দ শাহ রোডের বিভিন্ন অংশ, বড়মিয়া মসজিদ সংলগ্ন গলি, বিএড কলেজের আশেপাশের রাস্তা, চকবাজারের ফুলতলার বিভিন্ন স্থানে এবং খালপাড়ের দুই পাশের দুই রাস্তা, ধুনির পুল, অাধুনিক চকসুপার মার্কেটের আশপাশ, চকবাজার উর্দু গলি সহ এইরকম বিভিন্ন অলিতে-গলিতে কিছু ছেলে দল বেধে আড্ডা দেয়, আবার কিছু কিছু স্থানে দেখা যায় ভ্যান গাড়িতে বসে সবাই মোবাইলে কি যেনো করছে। নিঃসন্দেহে এইসব ছেলে গুলো উশৃংখল এবং বেপরোয়া।
কোনো নিষেধ বা সচেতনতা এদের মধ্যে কাজ করে না। এরাই দেশ ও সমাজের জন্য ক্ষতিকারক। এরা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের পরিবারের জন্য ক্ষতিকারক।
এইসব ছেলেদের নিষেধ করতে যাবেন তো বিপদ ডেকে নিবেন। এইসব ছেলেদের কঠোর আইনি ব্যবস্থায় দমন করা প্রয়োজন। কারন, এরা ঘরে আবদ্ধ থাকছেনা, আইন মানছেনা। ইচ্ছে মতো রাতে ঘুরাঘুরি আর আড্ডা করে রাস্তায় রাত কাটাচ্ছে। বর্তমান সময়ে এরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকারক।
হতে পারে এরাই করোনা ভাইরাসের বাহক। এভাবে দল বেধে রাতে ঘুরাঘুরি আর আড্ডা করলে করোনা ভাইরাসের গ্রাসে বিলীন হতে বেশি সময় লাগবেনা।
কার শরীরে কি ভাইরাস আছে সেটা আমি আপনি কেউ জানি না। সন্ধ্যার পর উল্লেখিত স্থান সমূহ সহ চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন অলিতে-গলিতে প্রশাসন সাধারণ পোশাকে অভিযান চালিয়ে এদের আইনের আওতায় আনলে হয়তো এইসব আড্ডাবাজী বন্ধ করা সম্ভব।
পুলিশ দেখলেই এরা সরে যায়, পুলিশ চলে যাওয়ার পর আবার আড্ডা দেয়। বাঙ্গালীকে বুঝিয়ে ঘরে রাখা আদৌ সম্ভব নয়। এর জন্য উত্তর কোরিয়ার মতো সরকার ব্যবস্থাই হয়তো আমাদের জন্য প্রযোজ্য।

No comments