Recent comments

ব্রেকিং নিউজ

৯০’র দশকে লাভার বয় খেতাব পাওয়া রোমান্টিক নায়ক রিয়াজ



 ডেস্ক  রিপোর্ট:

ঢাকাই সিনেমার নন্দিত চিত্রনায়ক রিয়াজ। নব্বই দশকের শেষদিকে লাভার বয় খেতাব পাওয়া এই নায়ক বহুমাত্রিক চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন রোমান্টিক নায়ক হিসেবে।

বাংলার নায়কনামটি দিয়েই তার ক্যারিয়ার শুরু ১৯৯৫ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র পরের বছর খ্যাতনামা চলচ্চিত্রকার দিলীপ বিশ্বাসের অজান্তে মোহাম্মদ হোসেনেরপ্রিয়জনসিনেমায় অভিনয় করেনপ্রিয়জন একমাত্র চলচ্চিত্র যেখানে রিয়াজ প্রয়াত সালমান শাহের সঙ্গে অভিনয় করেছেন

এরপর সালমান শাহের মৃত্যুতে যে শূণ্যতা দেখা দেয় প্রযোজক পরিচালকরা রিয়াজকে বেছে নেন সেই শূণ্যতা পূরণের নায়ক হিসেবে।

শাবনূরের সঙ্গে জুটি বেঁধে আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তা পান রিয়াজ। নানা কারণে সেই জুটি ভেঙ্গে গেলে পূর্ণিমার সঙ্গেও জুটি বেঁধে দারুণ সাফল্য পান রিয়াজ।

শাবনূর পূর্ণিমার সঙ্গে জুটি বেঁধে সাফল্য পেয়েছেন  আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা হৃদয়ের কথা , মনের মাঝে তুমি, হাজার বছর ধরে, দারুচিনি দ্বীপ,  প্রেমের তাজমহলসহ অসংখ্য সিনেমায়

সেরা জুটি শাবনূরের সঙ্গে অভিনীত সিনেমা- ‘মোল্লাবাড়ীর বউ প্রিয়া তুমি কোথায়, ভালোবাসি তোমাকে এবং শিরি ফরহাদ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে ইতি টানেন রিয়াজ শাবনূর ঝুটি

 এছাড়াও রিয়াজ ভারতীয় চলচ্চিত্রকার অভিনেতা মহেশ মাঞ্জরেকারেরইট ওয়াজ রেইনিং দ্যাট নাইটনামে একটি ইংরেজি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন

 

 

১৯৭২ সালে ফরিদপুর জেলা সদরের কমলাপুর মহল্লায় রিয়াজের জন্ম তার ছেলেবেলা কেটেছে ফরিদপুর শহরের সিএনবি স্টাফ কোয়ার্টার্সের চৌহদ্দিতে বাবা জাইনুদ্দিন আহমেদ সিদ্দিক ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা মা আরজুমান্দ আরা বেগম গৃহিণী সাত ভাইবোনের মধ্যে রিয়াজ সবার ছোট ১৯৭৭ সালে ফরিদপুk জেলা সদরে অবস্থিত তারার মেলা উইলস্ লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে তার শিক্ষা জীবন শুরু হয় পরে ফরিদপুর জিলা স্কুলে ভর্তি হন, সেখানে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন পরবর্তীতে ফরিদপুর সদরে অবস্থিত ময়েজউদ্দীন হাই স্কুল থেকে এসএসসি , যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজে  থেকে এইচএসসি পাশ করেন রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিক তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএসসি পাশ করেন

 

নায়ক রিয়াজ পরিবারের উৎসাহে যশোরে বিমানবাহিনীতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হন। যথাযথ প্রশিক্ষণ শেষে তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে বিমানচালক হিসেবে যোগদান করেন। বৈমানিক হিসেবে তিনি একটি জেট ফাইটারে মোট ৩০০ ঘণ্টা উড্ডয়ন সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে রিয়াজ শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ১৯৯৩ সালে বিমানবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত হন। চাকরিচ্যুতির পর তিনি বাড়ি ছেড়ে ঢাকা শহরে পাড়ি জমান এবং চাচাতো বোন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ববিতার হাত ধরে ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে একজন অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর  একে একে উপহার দেন ব্যবসা সফল ছবি।

 

 

 

রিয়াজ তার সুঅভিনয়ের জন্য দীর্ঘ অভিনয় জীবনে পেয়েছেন অসংখ্য সম্মাননা এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো; বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত একমাত্র রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সেরা চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে তিনি তিনবার এই পুরস্কার লাভ করেন এবং মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার- দুইবার সমালোচকদের রায়ে সহ সর্বমোট সাত'বার সেরা চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন

No comments