পটিয়ায় স্ত্রী কতৃক স্বামী ও দেবর কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি অভিযোগ
পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরীঃ-
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা ছনহরা ইউনিয়ন উওর ছনহরা আকবর সিকদার নতুন বাড়িতে গত ২৮
ফেব্রুয়ারী গরু বিক্রি এক লক্ষ ১৯ হাজার টাকা স্ত্রী জাহানারা বেগম এর কাছে রক্ষিত ছিল। এ টাকা চাওয়ায় স্বামী আবদুস সালাম দেবর আবদুল করিম, তার স্ত্রী আয়েশা বেগমকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে মর্মে পাওয়া গেছে। এছাড়াও গত ১৭ জানুয়ারি ১৯ ইং জাহানারা বেগম তার
ছেলে মোঃ বেলাল মেয়ে তানিয়া আকতার ঐদিন সকালে আবদু সালামকে ডেকে বাডি ভিটা তাদের নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এতে আবদুস সালাম অপারগতা প্রকাশ করিলে আবদুস সালামকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
এসময় ছিলেন মোঃ আলম, তার ভাই আবদুল করিম, নুরুল ইসলাম (বধির) শামসুল আলম। এঘটনার এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষরা নুরুল ইসলাম (বধির) মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। ঐ দিন প্রতিপক্ষরা একজোট হয়ে দুপুর ১২ টার দিকে তৈয়ব সওদাগরের দোকানে সামনে থেকে আবদুস সালামকে জোরপুর্বক ধরে এনে ঘরে
বন্ধি করে পায়ে শিখল দিয়ে তালা মেরে বন্ধ করে রাখে। এতে তারা শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আবদু সালাম বেশ কিছু টাকা মোবাইল তার স্ত্রী জাহানারা বেগম ছেলে বেলাল আর্তসাৎ করে। নির্যাতনের খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চৌকিদার আবদু সালাম উদ্ধার তাকে উদ্ধার করে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা জন্য ভর্তি করে।
পটিয়া হাসপাতালের সনদ নং ৬১/১৮৪১,তাং ১৭/০১/২০ ইং। এ ব্যাপারে আবদু সালাম বাদী হয়ে এসবের প্রতিকার প্রার্থনা করে জাহানারা বেগম, মোঃ বেলাল রনি আকতার বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ সুএে জানাযায়,গরু বিক্রি টাকা এক লক্ষ ১৯ হাজার টাকা চাওয়ায় এবং বাড়ি ভিটা লিখে না দেওয়ার কারণে আবদুস সালামকে ঘরে পায়ে শিখল দিয়ে রাখে। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার এলাকার মাণ্যগণ্য ব্যাক্তিবর্গ পটিয়া থানা পুলিশকে খবর দিলে ওসির নির্দেশে এ এস আই মেহরাজ আবদুস সালামকে উদ্ধার করে পটিয়া থানায় নিয়ে
এসে জসিম সওঃ সিটের দোকানে তালা কেটে শিকল বন্ধি থেকে সালামকে মুক্ত করা হয় বলে জানান এ এস আই মেহরাজ।এ ঘনায় সালিশ বৈঠক বসে এতে উভয় পক্ষের লোকজন জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
এতে জাহানারা বেগম ও বেলাল আবদুস সালামের সমুদয় টাকা পিরিয়ে দেওয়ার একটি স্টাম্প লিখিত হয় বলে ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার জাহেদুল হক জানান। কিন্তু উক্ত টাকা না দিতে এবং সালামের বসতভিটা জাহানারা গং এর নামে লিখে নিতে চতুর জাহানারা বেগম গত ১৯/০৩/২০ ইং চট্টগ্রাম নারী শিশু নির্যাতন ট্যাইবুনাল( ৩) স্বামী আবদুস সালাম, তার ভাই আবদুল করিম, ভাবি আয়েশা বেগমের বিরুদ্ধে মামলা নং ০৭(৪) ২০ ইং দায়ের করে বলে জানান আবদুস সালাম। তিনি বলেন, আমার টাকা ও সম্পক্তি আর্তসাৎ করার কু-মানসে আমিও আমার ভাই ভাবিকে জাহানারা বেগম মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
সে এ ব্যাপারে পটিয়া থানা পুলিশ প্রশাসন, জাতীয় সংসদের হুইপসহ উর্ধতন পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার এলাকার মাণ্যগণ্য ব্যাক্তিবর্গ। আবদুস সালামের মানবাধিকার পিরিয়ে
দিতে এলাকার সচেতন মহল জোর দাবি জানান এবং মিথ্যা মামলার রিপোর্ট সটিক তদন্ত সাপেক্ষে দেওয়ার দাবি জানান এলাকার লোকজন।

No comments