পটিয়ায় বধির প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নের জাতীয় শোক দিবস পালিত
সেলিম চৌধুরী,পটিয়া প্রতিনিধিঃ- ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী শোক দিবস উপলক্ষে পটিয়ায় বধির প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)’র ইশারা দোভাষী সংবাদ পাঠিকা (সাংকেতিক) আফরোজা খাতুন মুক্তা বলেছেন, আমার পরিবারে আমার মা, বাবা, ভাইসহ তিনজনই বোবা।
শুধু পরিবারে আমি একজন সুস্থ আছি। তবুও আমার পরিবারের সদস্যদের আমার বোঝা মনে হয় না। আমি তাদের নিয়ে গর্ব বোধ করি। প্রতিবন্ধীরা সমাজের কোন বোঝা নয়। তারা এদেশের মানবসম্পদ।
বধির প্রতিবন্ধীরা লেখাপড়ায় জ্ঞান অর্জনসহ অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ।যারা লেখাপড়া জানে না, তারা অন্য কোন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। তারা কথা বলতে পারে না, তাদের ভাষা আমাদের বুঝতে হবে। তাই তাদের উন্নয়নে কাজ করার জন্য আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য রয়েছে।
তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর আজ বেছে থাকলে বধির প্রতিবন্ধীরা আজ অবহেলিত হতনা তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিকট আহবান জানান বধির প্রতিবন্ধীরা যাতে অবহেলিত না হয়ে সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্টানে তাদের পরিবার পরিজনের কথা চিন্তা করে কাজের নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তিনি ১৫ আগষ্ট শনিবার সকালে পটিয়া ওয়াপদা সার্কুলার রোডে পটিয়া বধির প্রতিবন্ধি উন্নয়ন সংস্থা কার্যালয় ১৫ আগষ্ট শোক দিবসের আলোচনা সভা
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুক্তার বাবা মঞ্জুরুল আলম, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, দৈনিক জনতা সাংবাদিক সেলিম চৌধুরী, দৈনিক সকালের সময় সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, প্রতিবন্ধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুমন, ইদ্রিছ, জুবলী, সবুজ, আইয়ুব আলী, মাকছুদুর রহমান, মুক্তা তালুকদার, আবদুল্লাহ, ওবাইদুল্লাহ ইমন প্রমুখ।
সংবাদ পাঠিকা আফরোজা খাতুন মুক্তা প্রতিবন্ধীদের বক্তব্য দোভাষী করে উপস্থাপন করেন। উল্লেখ্য আফরোজা খাতুন মুক্তার বাড়ি পটিয়া উপজেলার জঙ্গলখাইন গ্রামে। তার বাবা বধির প্রতিবন্ধী মঞ্জুরুল আলম টেইলারিং কাটিং মাস্টার। মা আরিফা খাতুন গৃহিণী, ভাই মামুনুর রশিদ ১০ম শ্রেণির ছাত্র বলে জানাগেছে।
সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সহ সভাপতি নাজিম উদ্দীন বধির প্রতিবন্ধীদের উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে আসছে। এতে বধির শতাধিক প্রতিবন্ধীরা খুবই আনন্দিত।

No comments