মাটিরাংগায় ২৫ দোকান পুড়ে ছাঁই
মোঃ মহিউদ্দিন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার তাউন্দং বাজারের ২৫টি দোকান ঘর পুড়ে সর্বশান্ত দোকানদাররা। করেনা প্রতিরোধে সরকারী নির্দেশনা মেনে দোকানপাট বন্ধ রেখে দোকানিরা যখন বাড়ি ঘরে অবস্থান করছিল তখন ভর দুপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের ফলে সৃষ্ট আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে দোকান গুলো। শনিবার (২৮ মার্চ) বিকাল ৩টার দিকে এ অগ্নিকান্ডে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আগুন লাগার পরপরই মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তাইন্দং বাজারের একে একে অন্তত ২৫টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
তাইন্দং বাজারের জনৈক আমির হোসেনের হার্ডওয়্যারের দোকান থেকে এই অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। তাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবীর জানান, ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌছানোর আগেই স্থানীয়রা প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
ততক্ষনে তাইন্দং বাজারের সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপন করা না গেলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমান দেড় কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও জানান তিনি। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সরকারি সহায়তার দাবি করেন তাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবীর।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মাটিরাঙ্গা ইউনিটের স্টেশন মাস্টার মো. সাদেকুর রহমান জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে অগ্নিকান্ডের খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থল তাইন্দং বাজারে ছুটে যান এবং ক্ষতিগ্রস্থ তাইন্দং বাজার পরিদর্শন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম, মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম. হুমায়ুন মোরশেদ খান।
এ সময় তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এসময় মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজকুমার শীল, মাটিরাঙ্গা উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মনিরুজ্জামান, উপজেলা রিসোর্স ইনস্ট্রাক্টর আসগর হোসেন, মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরা ও তাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

No comments