রাউজানে মুক্তিযোদ্ধা হত্যাকান্ডে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব
লোকমান আনছারী রাউজান প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক পুলিশের উপ-পরিদর্শক এ কে এম নুরুল আজম চৌধুরী কে গত ৮ ফেব্রুয়ারি হারপাড়া গ্রামের উরকিরচর ইউনিয়নে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে। হত্যার ঘটনায় জড়িত শেখ সোহরাব হোসেন সাদিছ নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাব জানিয়েছে, শেখ সোহরাব হোসেন সাদিছ নিজের ক্ষোভ থেকে নুরুল আজম চৌধুরীকে হত্যা করেছে।
সোহরাবকে নিয়ে বিভিন্ন সময় ঠাট্টা-বিদ্রুপ করতেন নুরুল আজম। এতে তার ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। গত পাঁচ মাস ধরে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করছিল সোহরাব সাদিছ।
১০ ফেব্রুয়ারি সোমবার ভোরে রাউজানের নোয়াপাড়া পথেরহাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি কিরিচ ও রক্তমাখা জামা উদ্ধার করা হয়।
সোমবার দুপুরে চান্দগাঁওয়ে র্যাব-৭ সিপিসি-৩ এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ।
তিনি বলেন, প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, মূলত দীর্ঘদিনের নিজের ক্ষোভ থেকে নুরুল আজমকে হত্যা করেছে। হত্যাকাণ্ডের শিকার নুরুল আজমের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল হত্যাকারী সোহরাব সাদিছ । নুরুল আজমের দোকানে নিয়মিত আসতেন সেই।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, মূলত দীর্ঘদিনের নিজের ক্ষোভ থেকে নুরুল আজমকে হত্যা করেছে। হত্যাকাণ্ডের শিকার নুরুল আজমের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল হত্যাকারী সোহরাব সাদিছ । নুরুল আজমের দোকানে নিয়মিত আসতেন সেই।
র্যাব-৭ তারেক আজিজ জানান, নুরুল আজমকে হত্যার জন্য ১ হাজার টাকার বিনিময়ে একটি কিরিচ কিনে সোহরাব। সেই কিরিচ দিয়ে নৃশংসভাবে নুরুল আজম কে কুপিয়ে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর কিরিচ পরিষ্কার করে ফের কামারের দোকানে ফেরত দেয়।
র্যাব-৭ চান্দগাঁও ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ সামীম সরকার বলেন, নুরুল আজম রাউজানে একা থাকতেন। তার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল সোহরাবের।
র্যাব-৭ চান্দগাঁও ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ সামীম সরকার বলেন, নুরুল আজম রাউজানে একা থাকতেন। তার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল সোহরাবের।
সোহরাব রাউজানে পালক পিতার কাছে বড় হয়েছে। নুরুল আজম ঠাট্টা করে সোহরাবকে বলতেন, বাপের জন্মে এত টাকা দেখেছো! এসব বিষয় নিয়ে সোহরাবের মধ্যে বিষন ক্ষোভের জন্ম হয় বলে দাবি করেছে সোহরাব। তিনি বলেন, সোহরাবের দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করবে তদন্তকারী কর্মকর্তা। এর বাইরে আরও বিষয় থাকতে পারে। সেদিকে গুরুত্ব দিয়ে অন্য কেউ জড়িত আছে কী না তা খুঁজে বের করা হবে বলে জানান।

No comments