জয় দিয়ে শেষ করল রংপুর রেঞ্জার্স
শেষ চারে খেলাটা আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল ঢাকা প্লাটুনের। কিন্তু রংপুরের বিপক্ষে গতকালের ম্যাচটি ছিল শেষ চারের প্রস্তুতি হিসেবে। কিন্তু সে ম্যাচে প্রস্তুতিটা ঠিকমত সারতে পারলনা ঢাকা। উল্টো হেরে বসেছে রংপুরের কাছে। অপরদিকে ঢাকাকে হারিয়ে এবারের বিপিএল শেষ করল রংপুর রেঞ্জার্স। যদিও নিজেদের এগিয়ে যাওয়ার আশা শেষ হয়ে গিয়েছিল আগেই। তবে রংপুরের চাওয়া ছিল শেষটা ভালো করা। সেই লক্ষ্য তো পূরণ হয়েছে। একই সাথে ধাক্কা দিয়েছে তারা ঢাকার আশাতেও। শেন ওয়াটসনের দলের দারুণ জয়ে শঙ্কায় পড়ে গেছে মাশরাফি মুর্তজার দলের সেরা দুইয়ে থাকা। বঙ্গবন্ধু বিপিএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে জিতেছে রংপুর রেঞ্জার্স। উজ্জীবিত পারফরম্যান্সে তারা ১১ রানে হারিয়েছে টুর্নামেন্টের অন্যতম শীর্ষ দল ঢাকা প্লাটুনকে। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গতকাল শুক্রবার ২০ ওভারে রংপুর করেছিল ১৪৯ রান । উইকেট একটু মন্থর ছিল বটে। তবে খুব কঠিন ছিল না ব্যাটিংয়ের জন্য। ঢাকা তবু যেতে পেরেছে ১৩৮ পর্যন্ত। আর তাতেই হার ১১ রানের। ম্যাচের গতিপথ ঘুরিয়ে দেওয়া ইনিংসের পর বল হাতেও দারুণ এক স্পেলে রংপুরের জয়ের নায়ক ইংলিশ অলরাউন্ডার লুইস গ্রেগোরি। দারুণ বোলিং করেছেন রংপুরের অন্য বোলাররাও। ওয়াটসন নিজে ব্যাট হাতে ভালো পারফর্ম না করলেও সফল ছিলেন নেতৃত্বে। তার আসার আগে ৫ ম্যাচের কেবল একটি জিতেছিল রংপুর। তিনি অধিনায়ক হওয়ার পর দল জিতেছে ৭ ম্যাচের ৪টিতে। প্রাথমিক পর্বে ঢাকার ম্যাচ বাকি আছে এখনও একটি। সেরা দুইয়ে জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ তাদের এখনও আছে।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা রংপুরের ইনিংস শুরু হয়েছিল ওয়াটসন-ঝড়ের আভাস দিয়ে। ইনিংসের প্রথম ওভারেই মেহেদি হাসানের বলে মারেন ছক্কা ও চার। তবে পরের ওভারেই তাকে থামান মাশরাফি। প্রথম বিপিএল অভিযানে ওয়াটসনের প্রাপ্তি এক ম্যাচে ৬৮ । আর বাকি ৬ ম্যাচ মিলিয়ে ২৫। রংপুর অধিনায়কের বিদায়ের পর তিনে নামা ক্যামেরন দেলপোর্তও ফেরেন দ্রুত। স্টাম্পড হয়ে যান মেহেদিকে বেরিয়ে এসে খেলতে গিয়ে। পাওয়ার প্লেতে ৩ ওভার বোলিংয়ে মাশরাফি রান দিয়েছিলেন ৭। শেষ ওভারে ছক্কা হজম করেন লুইস গ্রেগোরির ব্যাটে। মাশরাফি ও মেহেদি মিলেই শেষ করে দেন দুই পাশ থেকে চারটি করে ৮ ওভার। রংপুরের রান তখন ২ উইকেটে ৪৬। নতুন বোলার শাদাব খান বোলিংয়ে এসেই দেখা পান উইকেটের। আলগা শটে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মোহাম্মদ নাঈম। একটি করে চার ও ছক্কার পরও তরুণ ওপেনার করেছেন ২১ বলে ১৭। রংপুর ঘুরে দাঁড়ায় পরের দুই জুটিতে। আল আমিনকে নিয়ে গ্রেগোরি ৪৯ রানের জুটি গড়েন ২৭ বলে। ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৩২ বলে ৪৬ করে গ্রেগোরি সীমানায় ধরা পড়েন থিসারা পেরেরার বলে। আল আমিন ও জহুরুল ইসলামের জুটি এরপর টেনেছেন দলকে। ২৪ বলে ৩৫ করেছেন আল আমিন আর ২৪ বলে ২৮ রান করেন জহুরুল। থিসারার দুই শিকার ও দুটি রান আউট মিলিয়ে শেষ ওভারে রংপুর হারিয়েছে চার উইকেট।
মাঝারি পুঁজি নিয়ে রংপুর শুরু থেকেই লড়াই করেছে তীব্র। শুরু থেকেই তাদেরকে মনে হয়েছে দারুণ উজ্জীবিত। দারুণ লাইন-লেংথে বোলিং করে ঢাকার ব্যাটপসম্যানদের কাজ কঠিন করে তোলে তারা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে বাউন্ডারি এসেছে কেবল ৩টি। এনামুল হক রান আউট হয়ে যান দ্বিতীয় ওভারেই। তামিম ইকবাল যথারীতি এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন। মেহেদিকে দ্রুত রান তোলার জন্য তিনে নামানো হলেও হয়েছে উল্টো। টাইমিং করতেই ধুঁকছিলেন। যখন মনে হচ্ছিল একটু ছন্দ পাচ্ছেন মেহেদি ঠিক তখনই আউট হয়ে যান আরাফাত সানির বলে। তিনটি চারের পরও ২০ রান করতে মেহেদীর লেগেছে ২৪ বল। এর পরপরই সেই আরাফাত সানিকেই ১০৫ মিটার লম্বা ছক্কা মেরে গ্যালারিতে আছড়ে ফেলেছিলেন তামিম। সানি শোধ তুলেছেন পরের ওভারে। আবার বেরিয়ে বড় শট খেলতে চেয়েছিলেন তামিম। সানি বিভ্রান্ত করেছেন ফ্লাইটে। ৩৩ বলে ৩৪ রানে থেমেছে অভিজ্ঞ ওপেনার তামিমের ইনিংস। এরপর মুমিনুল হক ফিরেছেন ১৪ বলে ১৮ রান করে। থিসারা পেরেরা ৮ বলে ১০ রান করলেও এই লংকান পারেননি ঝড় তুলতে। ধারাবাহিক সফল আসিফ আলি ব্যর্থ এই ম্যাচে।
আরিফুল হক দলকে দিতে পেরেছেন কেবল ১টি রান। রান-বলের টানাপোড়েন এরপর ক্রমাগত বেড়েছে। ঢাকা পারেনি তাল মেলাতে। শেষ দিকে মাশরাফি এক ছক্কা ও এক চার মারলেও পারেননি দলকে জয়ের কাছে নিতে। থামতে হয়েছে ১৩৮ রানে গিয়ে। রংপুর রেঞ্জার্সের পক্ষে জুনাইদ খান, আরাফাত সানি এবং গ্রেগরী প্রত্যেকে নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। ম্যান অব দা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন রংপুরের লুইস গ্রেগোরি
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা রংপুরের ইনিংস শুরু হয়েছিল ওয়াটসন-ঝড়ের আভাস দিয়ে। ইনিংসের প্রথম ওভারেই মেহেদি হাসানের বলে মারেন ছক্কা ও চার। তবে পরের ওভারেই তাকে থামান মাশরাফি। প্রথম বিপিএল অভিযানে ওয়াটসনের প্রাপ্তি এক ম্যাচে ৬৮ । আর বাকি ৬ ম্যাচ মিলিয়ে ২৫। রংপুর অধিনায়কের বিদায়ের পর তিনে নামা ক্যামেরন দেলপোর্তও ফেরেন দ্রুত। স্টাম্পড হয়ে যান মেহেদিকে বেরিয়ে এসে খেলতে গিয়ে। পাওয়ার প্লেতে ৩ ওভার বোলিংয়ে মাশরাফি রান দিয়েছিলেন ৭। শেষ ওভারে ছক্কা হজম করেন লুইস গ্রেগোরির ব্যাটে। মাশরাফি ও মেহেদি মিলেই শেষ করে দেন দুই পাশ থেকে চারটি করে ৮ ওভার। রংপুরের রান তখন ২ উইকেটে ৪৬। নতুন বোলার শাদাব খান বোলিংয়ে এসেই দেখা পান উইকেটের। আলগা শটে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মোহাম্মদ নাঈম। একটি করে চার ও ছক্কার পরও তরুণ ওপেনার করেছেন ২১ বলে ১৭। রংপুর ঘুরে দাঁড়ায় পরের দুই জুটিতে। আল আমিনকে নিয়ে গ্রেগোরি ৪৯ রানের জুটি গড়েন ২৭ বলে। ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৩২ বলে ৪৬ করে গ্রেগোরি সীমানায় ধরা পড়েন থিসারা পেরেরার বলে। আল আমিন ও জহুরুল ইসলামের জুটি এরপর টেনেছেন দলকে। ২৪ বলে ৩৫ করেছেন আল আমিন আর ২৪ বলে ২৮ রান করেন জহুরুল। থিসারার দুই শিকার ও দুটি রান আউট মিলিয়ে শেষ ওভারে রংপুর হারিয়েছে চার উইকেট।
মাঝারি পুঁজি নিয়ে রংপুর শুরু থেকেই লড়াই করেছে তীব্র। শুরু থেকেই তাদেরকে মনে হয়েছে দারুণ উজ্জীবিত। দারুণ লাইন-লেংথে বোলিং করে ঢাকার ব্যাটপসম্যানদের কাজ কঠিন করে তোলে তারা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে বাউন্ডারি এসেছে কেবল ৩টি। এনামুল হক রান আউট হয়ে যান দ্বিতীয় ওভারেই। তামিম ইকবাল যথারীতি এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন। মেহেদিকে দ্রুত রান তোলার জন্য তিনে নামানো হলেও হয়েছে উল্টো। টাইমিং করতেই ধুঁকছিলেন। যখন মনে হচ্ছিল একটু ছন্দ পাচ্ছেন মেহেদি ঠিক তখনই আউট হয়ে যান আরাফাত সানির বলে। তিনটি চারের পরও ২০ রান করতে মেহেদীর লেগেছে ২৪ বল। এর পরপরই সেই আরাফাত সানিকেই ১০৫ মিটার লম্বা ছক্কা মেরে গ্যালারিতে আছড়ে ফেলেছিলেন তামিম। সানি শোধ তুলেছেন পরের ওভারে। আবার বেরিয়ে বড় শট খেলতে চেয়েছিলেন তামিম। সানি বিভ্রান্ত করেছেন ফ্লাইটে। ৩৩ বলে ৩৪ রানে থেমেছে অভিজ্ঞ ওপেনার তামিমের ইনিংস। এরপর মুমিনুল হক ফিরেছেন ১৪ বলে ১৮ রান করে। থিসারা পেরেরা ৮ বলে ১০ রান করলেও এই লংকান পারেননি ঝড় তুলতে। ধারাবাহিক সফল আসিফ আলি ব্যর্থ এই ম্যাচে।
আরিফুল হক দলকে দিতে পেরেছেন কেবল ১টি রান। রান-বলের টানাপোড়েন এরপর ক্রমাগত বেড়েছে। ঢাকা পারেনি তাল মেলাতে। শেষ দিকে মাশরাফি এক ছক্কা ও এক চার মারলেও পারেননি দলকে জয়ের কাছে নিতে। থামতে হয়েছে ১৩৮ রানে গিয়ে। রংপুর রেঞ্জার্সের পক্ষে জুনাইদ খান, আরাফাত সানি এবং গ্রেগরী প্রত্যেকে নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। ম্যান অব দা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন রংপুরের লুইস গ্রেগোরি

No comments